Breaking News

অবাক কান্ডঃ মা ও মেয়ের এক স্বামী, তাও আবার বাংলাদেশে

ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৯ সালে। বিষয়টি নিয়ে তখন জেলাজুড়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।মুখে মুখে আলোচনায় পরিণত হয়েছিল। নূর ইসলাম চণ্ডিপুর গ্রামের মোহাম্মদ দফাদারের ছেলে। তার শ্ব’শুর মালদ্বীপ প্রবাসী। মা ও মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন ফরিদপুর সদর উপজেলার মাচ্চর ইউনিয়নের চণ্ডিপুর গ্রামের নূর ইসলাম। মেয়েকে বিয়ে করার চার মাস পর শাশুড়িকে বিয়ে করেন তিনি।

এলাকাবাসী জানায়, সাড়ে তিন বছর আগে চণ্ডিপুর গ্রামের জলিল মো’ল্যা মাল’দ্বীপ যান। এরপর তিনি সব টাকা তার স্ত্রীর কাছে পাঠাতেন। এক বছর আগে চণ্ডিপুর বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন গ্রামের জলিল মোল্যার বাড়িতে নূর ইসলাম রাজমিস্ত্রির কাজ করতে যান কাজের ফাঁকে ওই বাড়ির মেয়ে জেনির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর তারা বিয়ে করেন।

বিয়ের পরপরই শাশুড়ি ঝর্না বেগমের সঙ্গে নূর ইসলাম ‌‌‌‌‌‌‌প’রকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এরপর শাশুড়ির সম্মতিতেই পা’লিয়ে গিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাকেও বিয়ে করেন তিনি, বিষয়টি জানাজানি হলে মা-মেয়ের মধ্যে দ্ব’ন্দ্ব শুরু হয়। স্থানীয়রা আরো জানান, বিদেশে থেকে পাঠানো শ্বশুরের টাকা ও বাড়ির স’ম্পত্তির লোভে নূর ইসলাম তার শাশুড়িকে বিয়ে করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ মে) রাতে নূর ইসলাম ঝর্না বেগমকে নিয়ে চণ্ডিপুর গ্রামে এলে এলাকার মানুষ বি’ষয়টি নিয়ে নানা কথা বলতে থাকে।

গ্রামবাসী তাদের আ’টক করে উপযু’ক্ত বি’চারের জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্যের জিম্মা’য় দেন। শাশুড়ি ঝর্না বেগম বলেন, ‌’আমার মেয়ের সঙ্গে এক বছর আগে নূর ইসলামের বিয়ে হয়েছে। এরপর চার মাস আগে নূর ইসলাম আ’দালতে নিয়ে আমাকে বিয়ে করেছে। আমার মেয়ের কোনো স’ন্তানাদি নেই। কিন্তু বর্তমানে আমি চার মাসের অ’ন্তঃসত্ত্বা। মাচ্চর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. কাউসার সময়নিউজকে বলেন আমি চৌকিদার মক্কাছের জিম্মায় ওদের রেখে এসেছি। কিন্তু পরে জানতে পারলাম সেখান থেকে ওরা পা’লিয়েছে।

About desk

Check Also

বিয়ের দাবিতে তরুণীর অনশন, সপরিবারে পালাল প্রেমিক

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নে মোমিন আলী নামে এক যুবকের বাড়ির সামনে বিয়ের দাবিতে অনশন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *