Breaking News

অবাক করা বিষয়ঃ প্রেমের ফাঁদে ফেলে যেভাবে প্রতারক ধরলেন নারী পুলিশ

বিলাসবহুল জীবনযাপন করতে গহনা আর টাকা চুরিই ছিল তার পেশা। তার বিশেষ কোনো ঠিকানাও নেই। একেক সময় একেক শহরের পাঁচতারা হোটেলকেই ক্ষণিকের জন্য নিজের ঠিকানা মনে করতেন তিনি।

হোটেলে থাকার জন্য সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে দিয়ে ফোন করতেন। সঙ্গে রাখতেন ভুয়া পরিচয়পত্রও। পরিকল্পনা মতো তিন দিনের জন্য হোটেল বুক করতেন। দুইদিন থাকার পর হঠাৎ উধাও হয়ে যেতেন। মূলত এই সময়ের মধ্যেই তিনি চুরির কাজ সেরে নিতেন। বলছিলাম অঙ্গদ মেহতা নামে এক প্রতারকের কথা।
ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এই প্রতারকের নামে মামলা রয়েছে। তাকে ধরতে কয়েকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশ। শেষ পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের হাতেই ধরা পড়েন এই প্রতারক। তাও আবার রীতিমতো প্রেমের জাল বিছিয়ে।

ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য মতে, চলতি বছরের আগস্ট মাসে কলকাতার একটি সোনার দোকানের মালিককে ফোন করে ১ লাখ ৯০ হাজার ১৮৪ টাকার সোনার গহনা একটি গেস্ট হাউসে পাঠাতে বলেন অঙ্গদ। দোকানের দুই কর্মচারী সেই গহনা ওই গেস্ট হাউসের সামনে নিয়ে আসে। স্ত্রীকে গহনা দেখিয়ে আসার নাম করে অপেক্ষা করতে বলে গেস্ট হাউসের অন্য দরজা দিয়ে পালিয়ে যান তিনি। ওই দোকান কর্তৃপক্ষ গত ১৯ আগস্ট থানায় মামলা দায়ের করে।

তদন্তে পুলিশ জানাতে পারে, এরইমধ্যে কলকাতা থেকে অন্ধ্রপ্রদেশে পালিয়ে গেছে সে। তাকে ধরা সহজ হবে না। তাই ফেসবুকে পায়েল শর্মা নাম নিয়ে একটি ফেইক আইডি তৈরি করেন কলকাতা পুলিশের সাব ইনস্পেক্টর দিশা মুখোপাধ্যায়। এরপর অঙ্গদের সঙ্গে ফেসবুকে চলতে থাকে চ্যাট। তাকে প্রেমের জালে ফাঁসান। তারপর দেখা করতে কলকাতার একটি পার্কে অঙ্গদ মেহতাকে আসতে বলেন দিশা। দেখা করতে এসেই হাতেনাতে ধরা পড়েন এই প্রতারক। এসময় তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে অন্তত তিনটি পরিচয়পত্র, ডেপুটি জেলারের সই করা জেলের কার্ডসহ প্রতারণামূলক আরও বিভিন্ন জিনিস পাওয়া যায়। তার আসল নাম সার্থক রাও বাবরাস।

About desk

Check Also

আমার জীবন নিয়ে যারা খেলতে চায়, আমি তাদের সঙ্গে খেলতে প্রস্তুতঃ পরীমনি

বর্তমান সময়ের সেরা আলোচিত জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি। আলোচনা- সমালোচনা নিয়েই তার ক্যারিয়ার। বরাবরই তিনি আলোচনায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *